‘অপরাধীর পরিচয় নয়, আইনের আওতায় আনতে হবে’—মোজাম্মেল হক

admin
By admin
2 Min Read

ছিনতাই-সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামসহ সারাদেশে ছিনতাই, ছুরিকাঘাত, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তামাকুমণ্ডি লেইন বণিক সমিতি, চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক।

রোববার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ছিনতাই, ছুরিকাঘাত, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ বাড়ছে। নাগরিকদের নিরাপদে চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

মোজাম্মেল হক বলেন, একজন সাধারণ নাগরিক সকাল থেকে কর্মস্থলে যাওয়া কিংবা রাতে বাড়ি ফেরার সময় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় থাকলে বিষয়টি শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।

তিনি ছিনতাই, ছুরিকাঘাত, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানান। অপরাধীর রাজনৈতিক বা অন্য কোনো পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরপেক্ষভাবে বিচার নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি।

একই সঙ্গে কিশোর ও তরুণদের অপরাধচক্রে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, শুধু গ্রেপ্তার বা অভিযান পরিচালনা করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। কিশোর অপরাধের পেছনের সামাজিক ও পারিবারিক কারণগুলো চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

চট্টগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নগরী উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ ব্যবসা, চাকরি, শিক্ষা ও বিভিন্ন প্রয়োজনে নগরীর সড়কে চলাচল করেন। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সামগ্রিক জনজীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

মোজাম্মেল হক প্রশাসনের প্রতি জনগণের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি চট্টগ্রামসহ সারাদেশে শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, নিরাপদ জনজীবন নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। একই সঙ্গে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংলাপ