৩০ কোটি রুপি বাজেটে ৩০০ কোটি আয়, কী চমক আছে এই ছবিতে

admin
By admin
2 Min Read

চন্দ্রা কোনো সাধারণ নারী নন—এই ধারণাই যেন চলচ্চিত্রের শুরু থেকেই পরিষ্কার করে দেন পরিচালক। শহরের অন্ধকার এক গলিতে, যেখানে সাধারণত পেশিবহুল পুরুষদের আধিপত্য, সেখানে একা দাঁড়িয়ে চন্দ্রা। পার্কিং লটে দুর্ধর্ষ মারপিটে তিনি যেভাবে প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করেন, সেটি শুধু দৃশ্যত নয়; ভাবনাতেও নতুন। আশপাশের পুরুষেরা—কেউ প্রতিবেশী, কেউ পথচারী—বিস্ময়ে শুধু বলতে পারে, ‘এই মেয়ে আলাদা।’

একনজরে
সিনেমা: ‘লোকাহ চ্যাপ্টার ১: চন্দ্রা’
ধরন: সুপারহিরো, অ্যাকশন
পরিচালক: ডোমিনিক অরুণ
অভিনয়ে: কল্যাণী প্রিয়দর্শন, স্যান্ডি, নাসলেন
স্ট্রিমিং: জিও হটস্টার
দৈর্ঘ্য: ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট

বলছিলাম ‘লোকাহ চ্যাপ্টার ওয়ান: চন্দ্রা’র কথা। ২০২১ সালে ‘মিননাল মুরালি’ দিয়ে চমকে দিয়েছিলেন বাসিল জোসেফ। তবে সেই সুপারহিরো সিনেমার কেন্দ্রে ছিলেন পুরুষ চরিত্র (টোভিনো থমাস)। তবে এবার নারীকেন্দ্রিক সুপারহিরো সিনেমা বানিয়ে সব অর্থেই চমকে দিয়েছেন ডোমিনিক অরুণ। মাত্র ৩০ কোটি রুপি বাজেটের সিনেমা আয় করেছে ৩০০ কোটি রুপির বেশি! এটিই এখন সবচেয়ে বেশি আয় করা মালয়ালম সিনেমা। চলতি বছরের ব্যাপক আলোচিত সিনেমাটি এসেছে ওটিটিতে। বাংলাদেশের দর্শকেরাও কথা বলছেন দক্ষিণি সিনেমাটি নিয়ে।

সিনেমায় কাল্যাণী প্রিয়দর্শনের অভিনয় করেছেন চন্দ্রা চরিত্রে; যিনি একই সঙ্গে দেবী, আবার ধ্বংসের দূতও। কেউ তাঁকে পূজা করে, কেউ তাঁকে ভয় পায়। শহরের এক নোংরা অ্যাপার্টমেন্টে সদ্য উঠে আসা এই মালয়ালি নারীকে যতই সাধারণ ভেবে নেওয়া হোক, গল্প যত এগোয়, ততই স্পষ্ট হয়—চন্দ্রা এক রহস্যময় শক্তির ধারক।
অনেক সময় দেখা যায়, ‘সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স’ তৈরি করতে গিয়ে ছবিগুলো কৃত্রিম লাগে। কিন্তু ‘লোকাহ’-এর জগৎ একেবারেই তা নয়। এটি কেবল সুপারহিরো সিনেমা নয়, বরং এক সমৃদ্ধ ইউনিভার্স তৈরির নমুনা। ছবিজুড়ে ‘লাল’ রং যেন চন্দ্রার স্বাক্ষর বয়ে বেড়ায়। কখনো তাঁর চুলে একটুকরো দাগ, কখনো জ্যাকেটের গাঢ় মেরুন, আবার কখনো অ্যাকশনের দৃশ্যে নিওন লাল ধোঁয়ার বিস্ফোরণ। এই রং শুধুই সাজসজ্জা নয়, বরং চন্দ্রার আত্মপরিচয়ের প্রতীক।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *